Articles by "Technology"

একসময় মানূষ যখন দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোনসেট গুলো কম দামে কিনত তখন সবাই বলত আরে এতো চায়না ফোন তাই কমে পাওয়া গেছে  


যুগ পালটেছে ..
কেও  চায়না বলেনা এখন আর এখন এমন ফোন গুলোকে বলা হয় ক্লোন। দেখতে হুবুহু  আসল ফোনের মত আসল নকল দুটি পাশাপাশি রাখলে হয়ত কোম্পানীর কর্মকর্তারাও  কনফিউশনে পড়ে যাবে কোনটি তাদের আসল ফোন
সবাই সবসময় তো আর শো রুম থেকে   মোবাইল কিনে না আপনার মোবাইলটি আসলেই কোম্পানীর কিনা অর্থাৎ  এটি ক্লোন  অথবা নকল নয়ত  এমন  চিন্তায় সবাই  থাকে 
 একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ২ মিনিটের মধ্যেই আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার হাতে থাকা ফোনটি আসল কোম্পানীর তৈরী কিনা

১ । প্রথমে মোবাইলের IMEI নাম্বার বের করুন 
      IMEI নাম্বার বের করতে  *#06#  চাপুন

। এবার এই লিংক এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট টিতে যান 

। আপনার IMEI নাম্বার টাইপ করুন 

। নিচের ক্যাপচা কোড ফিলাপ এর জন্য  বক্সে ক্লিক করুন 

। রাইট সাইন আসলে Check বাটনে ক্লিক করুন

মোবাইলটি আসল কোম্পানী অথরাইজড হলে ওই মোবাইল সম্পর্কে তথ্য চলে আসবে ক্লোন সেট গুলার কোন তথ্য সাইট দেখাতে পারে না 

এভাবেই আপনি যাচাই করে নিতে পারেন আপনার ফোনটি আসল নাকি ক্লোন 

আমরা প্রায় প্রত্যেকদিন কিছু ফাইলস ডিলিট করে থাকি আমাদের পিসি বা ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন থেকে। যেসব ফাইলের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায়, সেসব ফাইল আমরা ডিলিট করে দেই স্টোরেজ বাঁচানোর জন্য।

কিন্তু ফাইল ডিলিট করার পরেই কি ফাইলের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায় ? আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে কয়েকদিন আগে আপনি যে মুভিটি হার্ড ড্রাইভ থেকে ডিলিট করলেন বা আপনার স্মার্টফোনে তোলা যে ছবিটি ভাল হয়নি বলে সাথে সাথে ডিলিট করে দিলেন, সেগুলো ডিলিট হওয়ার পরে কোথায় গেল ?
এই বিষয়টিকে বুঝতে হলে আমাদেরকে প্রথমে কম্পিউটারের বাইরে বেরিয়ে চিন্তা করতে হবে। বাস্তব জীবনে কি আমরা কোনকিছু ডিলিট করতে পারি ? চিন্তা করুন তো। ধরা যাক, আপনার কাছে একটি কাগজের একটি পৃষ্ঠা আছে। আপনি কি চেষ্টা করলেই এটাকে ডিলিট করতে পারবেন ? অনেকে বলতে পারেন যে কাগজটি আপনি ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবেন বা অনেকে এটাও বলতে পারেন যে কাগজটি আপনি আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলবে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, এটি কি সত্যিই ডিলিট হল ? সত্যিই কি এটার অস্তিত্ব মুছে গেল ?
আপনি যদি বলেন হ্যাঁ, তাহলে আপনি ভুল। আপনি শুধুমাত্র কাগজটির রূপ বা অবস্থার পরিবর্তন করেছেন। আগে এটি কাগজ ছিল কিন্তু পুড়িয়ে ফেলার পরে সেটি পরিবর্তিত হয়ে হল ছাই। ছিড়ে ফেললে কাগজের কোন ধরনের পরিবর্তনই হল না। শুধুমাত্র এটির অনেকগুলো টুকরোতে পরিবর্তিত হল। পানিতে ভেজালে সেটা ভেজা কাগজে পরিনত হল। কিন্তু আপনি কিছুতেই কাগজটি সম্পূর্ণভাবে উধাও করে দিতে বা ডিলিট করে দিতে পারবেন না। কম্পিউটারের ডিলিট করা ফাইলগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন না হলেও বাস্তব জীবনের সাথে কিছুটা মিল থেকেই যায় যদিও কম্পিউটারের ফাইল টেকনিক্যালি ডিলিট করা সম্ভব।
ডেক্সটপ বা ল্যাপটপে ফাইল ডিলিট করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয় যখন আপনি ফাইলটির কনটেক্স মেনু থেকে ডিলিট অপশনটি ক্লিক করে কনফার্ম করে ফাইলটিকে Recycle Bin ফোল্ডারে পাঠিয়ে দেন। তখনও ফইলটি আপনার ড্রাইভে একটি টেম্পোরারি ডিরেক্টরিতে থেকেই যায় এবং আপনার ড্রাইভের স্পেস দখল করে কিন্তু ফাইলটি উইন্ডোজ আপনাকে দেখায় না। কিন্তু তখনও ড্রাইভ প্রোপার্টিস চেক করলে আপনি দেখবেন যে আগে ড্রাইভে যতটুকু স্পেস খালি ছিল ঠিক ততটুকুই খালি আছে। অর্থাৎ ফাইলটি তখনো সেখানে আছে। এই অবস্থায় আপনি রিসাইকেল বিন থেকে ফাইলটি রিস্টোর করলেই আপনি আবার ফাইলটি দেখতে পারবেন এবং ব্যবহার করতে পারবেন।
কিন্তু কি হয় যখন আপনি রিসাইকেল বিন থেকেও ফাইলটি ডিলিট করে দেন যাতে সেটা আর রিস্টোর করা সম্ভব না হয় ? এসময় কিন্তু আপনাকে ড্রাইভের সেই স্পেসটুকু ফেরত দেওয়া হয় যেটুকু স্পেস ওই ফাইলটি দখল করেছিল। কিন্তু ফাইলটির কি হয় ? কোথায় যায় ফাইলটি ?
ফাইলটি যখন আপনি রিসাইকেল বিন থেকেও ডিলিট করে দেন, আপনার ড্রাইভে ওই ফাইলটি যতটুকু স্পেস দখল করে ছিল টা কিন্তু আক্ষরিক অর্থে খালি হয়ে যায়না। ওই স্পেসটুকু কে খালি হিসেবে মার্ক করা হয়। এই খালি হিসেবে মার্ক করার ফলে ওই স্পেসটুকু নতুন কোন ডেটা বা নতুন কোন ফাইল রাখার জন্য এভেইলেবল হয়ে যায়। ফাইলটি যেখানে ছিল সেই স্পেসটি খালি হয়ে যায় কিন্তু ফাইলটি কিন্তু এখনো কোথাও সরে যায়নি বা ফাইলটির অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়নি। শুধুমাত্র পয়েন্টারগুলো চলে গিয়েছে। পয়েন্টার হলআপনার কম্পিউটারের আরেক ধরনের ডেটা যেগুলো আপনার মেমরিতে থাকা ফাইলগুলোর ডিরেক্টোরি পয়েন্ট করে বা নির্দেশ করে।
ফাইলটি ডিলিট করলে কম্পিউটার শুধুমাত্র আপনার ফাইলের রেফারেন্সগুলো রিমুভ করে দেয়। ফাইলের রেফারেন্স রিমুভ করলে কম্পিউটার ফাইলটিকে আর রিড করতে পারেনা। বিষয়টিকে আরেকটু ভালভাবে বুঝতে হলে বলতে হবে, কোন অপারেটিং সিস্টেম থেকে  কোন ফাইল ডিলিট করা হচ্ছে অনেকটা কোন বই থেকে একটি চ্যাপ্টারেকে খালি হিসেবে মার্ক করার মাধ্যমে চ্যাপ্টারটি ডিলিট করা। কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমন। অর্থাৎ, কম্পিউটার যখন আপনার ডিরেক্টরি টি পড়ে, তখন ডিলিট করা ফাইলগুলোর জায়গাটি কম্পিউটার খালি হিসেবে ধরে নেয় যেহেতু সেই জায়গাগুলো খালি হিসেবেই মার্ক করা আছে।
এখন আপনি ভাবতে পারেন যে তাহলে ডিলিট করা ফাইলগুলো সহজেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব যেহেতু সেগুলো এখনো আছে। ঠিক তাই। সহজেই ঠিক নয়, কিন্তু কঠিনে হলেও ডিলিট করা ফাইল ফিরিয়ে আনা সম্ভব এটা আমরা সবাই জানি। স্পেশাল ডেটা রিকভারি টুলগুলো আপনার পারমিশনের সাহায্যে হার্ড ড্রাইভের ডিরেক্টরি থেকে সেই ধরনের স্পেসগুলোকে খুজে বের করে যেগুলো খালি বা Empty হিসেবে মার্ক করা আছে। এবং অনেকসময় এই টুলগুলো সেই স্পেস থেকে আপনার ডিলিট করা অধিকাংশ ফাইল খুজে বের করে ফিরিয়েও আনতে পারে যেহেতু ফাইলগুলোর স্পেসটি শুধুমাত্র খালি বা Empty হিসেবে মার্ক করা আছে কিন্তু ফাইলটি এখনো কোথাও যায়নি। আপনার ডিলিট করা ফাইলগুলো হার্ড ড্রাইভে ততক্ষন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষন না সেই ফাইলটির স্পেসটিকে অন্য কোন নতুন ফাইলের জন্য রিজার্ভ করা হচ্ছে বা যে স্পেসে আপনার ফাইলটি ছিল ওই স্পেসটি নতুন কোন ডেটা বা ফাইল দ্বারা ওভাররাইট করা হচ্ছে।
এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, শুধুমাত্র ওভাররাইট করলেই যদি ফাইলটি চলে যায়, তাহলে কেন কম্পিউটার সেটা প্রথম স্টেপেই করে ফেলে না ? কারন এটা করার থেকে শুধুমাত্র ফাইলের স্পেসটিকে খালি হিসেবে মার্ক করা বা ফাইলটির রেফারেন্স রিমুভ করে দেয়া অনেক বেশি সহজ।
অর্থাৎ একটি ফাইলকে যদি আপনি সম্পূর্ণভাবে ডিলিট করতে চান যাতে টা আর রিকভার করা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনাকে ফাইলের জন্য রিজার্ভ করা যে স্পেসটি ছিল সেটাকে নতুন ডাটা দিয়ে সম্পূর্ণভাবে ওভাররাইট করতে হবে। লো লেভেল ফরম্যাট বা অন্যান্য ইউটিলিটি ব্যবহার করে এটা করা সম্ভব। এসব ইউটিলিটির সাহায্যে হয়ত আপনি ওই ডিলিট করা ফাইলগুলোর স্পেসকে অনেকগুলো ০ দ্বারা ওভাররাইট করবেন বা অন্যকিছু দ্বারা ওভাররাইট করবেন যাতে তা আর কখনোই রিকভার করা সম্ভব না হয় কিন্তু সেক্ষেত্রেও ১০০% নিশ্চয়তা নেই যে আপনার ফাইলটি ডিলিট হয়েছে। এখানে আরেকটি বিষয় চলে আসে যা হল " ব্যাড সেক্টর "। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে আপনার কম্পিউটারের এমন কিছু ডিরেক্টরি যেগুলোতে আপনি কখনোই এক্সেস করতে পারবেন না। হতে পারে এসব ডিরেক্টরিতে কিছু চেঞ্জ করলে আপনার পিসি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাবে বা অন্য কোন ধরনের ক্ষতি হবে। যাই হোক, এর মানে হচ্ছে এসব ব্যাড সেক্টরে যেসব ফাইল থাকবে সেগুলো কখনোই ডিলিট হবেনা।
ধরা যাক, আপনি ইউএস মিলিটারি বা এমন ধরনের কোন শক্তিশালি গ্রুপের একজন কর্মকর্তা এবং আপনার পিসিতে এই গ্রুপের অনেক প্রয়োজনীয় গোপন ডেটা আছে যেগুলো অন্য কারোর জানার অধিকার নেই। এসব ডাটা যখন আপনার ডিলিট করার দরকার হবে তখন আপনি বা ইউএস মিলিটারি কি করবে ? শুধুমাত্র ডিলিট করে দেবে ? না। যেহেতু ফাইল সম্পূর্ণভাবে ডিলিট করা সম্ভব নয় তাই যাতে কেউ ডিলিট করা ফাইলের এক্সেস কখনো না পেতে পারে, তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে আপনার হার্ড ড্রাইভ বা পিসি বা মেমরি বা সিপিইউ সবকিছু ধ্বংস করে ফেলা যাতে কেউ কখনো ডিলিট করা ফাইল তো দুরের কথা, মেমরিটিই এক্সেস না করতে পারে।
ইউএস, আফ্রিকা, জাপান ইত্যাদি দেশগুলো অনেকসময়ই এই কাজটি করার জন্য তাদের ইলেকট্রনিক ওয়েস্টগুলো (এমন সব ডাটা যেগুলো তারা চায়না যে রিকভার করার ১% চান্সও থাকুক) ঘানার  Agbogbloshie নামক একটি জায়গায় পাঠায় সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে ফেলার জন্য। ঘানার এই জায়গাটি World's Digital Dumping Ground নামে পরিচিত। এখানে এই সব মেমরি বা হার্ডড্রাইভগুলোকে পুড়িয়ে ফেলা হয় যাতে সেগুলো রিকভার করার ১% চান্সও অবশিষ্ট না থাকে। কিন্তু, আপনি জানলে অবাক হবেন যে এখান থেকেও ফাইলগুলোকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পৃথিবীর বিভিন্ন সাইবার অপরাধী বা অন্যান্য কিছু লোকজন দাবি করে থাকেন যে ঘানার এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে তারা অনেক ডাটা রিকভার করতে পেরেছে। এসব ডাটার মধ্যে তারা মিলিওন ডলারের এগ্রিমেন্ট, বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান ফর্মুলা এবং আরো অনেক কিছু পেয়েছে।
একবার ভেবে দেখুন তো, আপনার আজকের ডিলিট করা একটি ফাইল যদি এখন থেকে ১০০ বছর পরে কেউ খুজে পায় ? আপনার আজকের ডিলিট করা একটি ছবি যদি আরও ১০০০ বছর পরে ফিরিয়ে আনা হয় ? লিক হওয়ার ভয়ে আপনার পিসির আজকের ডিলিট করা ব্রাউজিং হিস্টোরি যদি ৫০ বছর পরে আপনার ছেলে-মেয়ে খুজে পায় ? If you know what I mean. 😉


সহজে ব্যবহার করা যায় এমন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর হেডসেট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে অকুলাস গো। বৃহস্পতিবার এটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। প্রতিষ্ঠানটি এই প্রথম এমন ডিভাইস তৈরি করলো।


এছাড়া সান্তা ক্রুজ নামের একটি প্রোটোটাইপ (নমুনা সংস্করণ) হেডসেটও প্রদর্শন করেছে সংস্থাটি। এই ডিভাইস ইনসাইড-আউট ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কাজ করবে।

অকুলাস গো এবং সান্তা ক্রুজের মাধ্যমে মানুষ আরও সহজে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করতে পারবে বলে জানানো হয়। এই দুটি ডিভাইসকে আরও উন্নত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্মাতারা।

‘ব্লু হোয়েল’ বা জীবন বিনাশী গেম নিয়ন্ত্রণে বিটিআরসিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদ এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।


তিনি বলেন, বর্তমানে ব্লু হোয়েল সম্পর্কে ১০ দিন আগেও যেখানে ব্যবহারকারীর ৯৯ শতাংশই জানত না সেখানে বিষয়টি নিয়ে যেভাবে হইচই শুরু হয়েছে, তাতে অনেক ব্যবহারকারীই এ সম্পর্কে খোঁজ নেয়া শুরু করেছে। এতে আবার না উল্টো বিপত্তি বাধে। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।
ব্লু হোয়েল গেমের কারণে এক তরুণীর আত্মহত্যা করায় সম্প্রতি তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বিটিআরসিকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছেন। বিটিআরসি বিষয়টি আমলে নিয়ে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে ২৮৭২ নাম্বারে ফোন করে তথ্য দেয়ার অনুরোধ জানান।

মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, এ ধরনের তথ্য জনগণের কাছে থেকে চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিটিআরসি। এটি তাদের অদ্যক্ষতা ও অযোগ্যতার শামিল বলে মনে করি। তাদের কাছে গ্রাহকদের নিরাপত্তা, সেবা ও জনসচেতনতা তৈরি করার আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। বিটিআরসি দিনে দিনে সেবামূলক প্রতিষ্ঠান থেকে সরে গিয়ে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। আমরা গত ২০১৫ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম আসক্ত হলে আমরা বিটিআরসিকে চিঠি দিয়ে ও সেমিনারে আমন্ত্রণ জানাই। এছাড়াও সংগঠনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা তৈরির জন্য নাগরিকদের মাঝে লিফলেটও বিলি করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় বিটিআরসি থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাইনি।
তিনি বলেন, গত বছর মুঠোফোনের অপব্যবহারের ফলে রেল দুর্ঘটনায় প্রায় ৮০০ লোক মারা যায়। এছাড়া মুঠোফোন বিস্ফোরণ ঘটে সাভারের জাফর আলীসহ কয়েকজন নিহত হন। এ বিষয়েও বিটিআরসিকে অবগত করে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। দিনকে দিন মুঠোফোনে ও ইন্টারনেটের অপব্যবহার এতটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে যে আগামী ২০ বছর পর দেশ মেধাশূন্য হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
আমরা মনে করি বিটিআরসির কাছে এসওএফ ফান্ডের ১২০৪ কোটি টাকা জনসচেতনতা, প্রশিক্ষণ ও নিম্নবিত্তদের জন্য ফোর-জি সম্বলিত হ্যান্ডসেট সুলভ মূল্যে প্রদান করা হোক।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget