Articles by "Education"

জাতীয়করণ করা কলেজশিক্ষকদের আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে নন-ক্যাডার ঘোষণা করা না হলে পরদিন থেকে আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ্ খন্দকার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন,‘আমরা গতকাল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সমিতি এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’


এই শিক্ষক নেতা বলেন, ‘বিসিএস পাস করে তবেই ক্যাডার মর্যাদা পান বিসিএস শিক্ষকরা। কিন্তু বর্তমানে কলেজ জাতীয়করণ করলেই সেই কলেজের শিক্ষকরা ক্যাডার মর্যাদা পেয়ে যান। এতে ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে শৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে। বিসিএস ক্যাডারদের মর্যাদাকে অবহেলা করা হচ্ছে। আমরা আর এটি মেনে নেব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সরকারকে বিভিন্নভাবে বলেছি, এর একটি সুরাহা করুন। কিন্তু তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। যে কারণে বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ক্লাস বন্ধ রেখে বিসিএস শিক্ষকরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।’
অধ্যাপক সেলিম উল্লাহ্ খন্দকার বলেন, ‘আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বিসিএস শিক্ষা সমিতির নেতারা। এছাড়াও ২২ অক্টোবর ৬৪ জেলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং এর পরদিন ঢাকায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সভা আয়োজন করা হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছে না লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার মেধাবী ছাত্রী তানিয়া তাহিদ।



সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খ’ ইউনিটে ৮০৮তম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একই ইউনিটে ১৩১৮তম স্থান পেয়ে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তানিয়া উপজেলার পূর্ব সির্ন্দুনা গ্রামের তাহিদুল ইসলাম ও নুরুন্নাহার বেগমের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে তানিয়া দ্বিতীয়।
এর আগেও তানিয়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে হাতীবান্ধা সিন্দুর্না লোকমান হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে। ২০১৭ সালে রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে।
তানিয়ার বাবা তাহিদুল ইসলাম তিস্তা নদীতে কয়েকবার বসতবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে সিন্দুর্ণা বাজারে রেডিও মেকানিক হিসেবে কাজ করছেন। এ অবস্থাতেও তিনি মেয়ের পড়াশুনা চালিয়ে গেছেন। বর্তমানে মেয়ের এমন সাফল্য জেনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো মতো অবস্থা নেই তার।
তানিয়া জানায়, সবার সহযোগিতায় আমি এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ অর্জন করি। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটে ৮০৮তম স্থান পেয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই। কিন্তু আমার বাবার পড়াশুনা করার মতো সামর্থ্য নেই। কেউ আমাকে সহযোগিতা করলে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার সুযোগ পেতাম। আমি বিসিএস পড়ে প্রশাসনে জব করতে চাই।

তাহিদুল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীতে কয়েকবার বাড়িঘর হারিয়ে আজ আমি নি:স্ব। অনেক কষ্টে আমার সংসার চলে। মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু পড়াশুনা করার মতো অর্থ আমার নেই। আমার মেয়ের অনেক ইচ্ছে সে বিসিএস পড়বে। তাই সমাজের বিত্তবানরা একটু সহযোগিতা করলে আমার মেয়ের স্বপ্ন পূরণ হতো।
হাতীবান্ধা সিন্দুর্না লোকমান হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বাবুল জাগো নিউজকে বলেন, মেয়েটি দারিদ্র হলেও মেধাবী। তার বাবা একজন সামান্য রেডিও মেকানিক। তার বাবার পক্ষে পড়াশুনা খরচ বহন করা কষ্টকর। তাই সবার সহযোগিতা পেলে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশুনা করতে পারবে।

Source : https://www.jagonews24.com/country/news/355789

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে । শুক্রবার সকাল ১০টা ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় বেলা সাড়ে ১১টায়।
এই পরীক্ষাতে জালিয়াতির অভিযোগে যে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে তাদের ২ জনকে আটক করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে, ৪ জনকে বোরহান উদ্দিন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজ কেন্দ্র থেকে, একজনকে লালমাটিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে। এ ছাড়া বাকি তিনজনকে কোন কেন্দ্র থেকে আটক করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।
ঢাবি বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে আটক দুজন হলেন- নূর আলম ও আল ইমরান। ভ্রাম্যমান আদালত তাদের ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের মোট ৮৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারীবাগের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউটসহ ক্যাম্পাসের বাইরের কেন্দ্রগুলো হলো- নীলক্ষেত হাই স্কুল, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ড. শহীদুল্লাহ কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ,অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ,গভর্নমেন্ট টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, লালমাটিয়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, গভর্নমেন্ট সায়েন্স কলেজ, উইল্স লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, নটরডেম কলেজ, মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আইডিয়েল স্কুল এন্ড কলেজ, শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ, ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজ এবং আহমেদ বাওয়ানী একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
এ বছর ১ হাজার ৭৬৫টি আসনের জন্য আবেদন করেন ৮৯ হাজার ৫০৬ জন ।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget