October 2017

মানবশরীরের সুস্থতার জন্য নিয়মিত এবং পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কী ঘটতে পারে, যদি কোনও মানুষ একটানা একমাস জেগে থাকে!

সেটাই জানার জন্য এক সময়ে এক উদ্ভট পরীক্ষা চালিয়েছিলেন একদল বিজ্ঞানী। সেই পরীক্ষার পরিণাম যা হয়, তা রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো। ঘটনাস্থল ১৯৪০ সালের রাশিয়া।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন চলছে পুরোদমে। সেই সময়েই দেশের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত ৫ বন্দির উপরে এক অদ্ভুত পরীক্ষা চালান রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা। তাঁদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি গ্যাস আবিষ্কার করা, যা মানুষের শরীর থেকে ঘুমের প্রয়োজনকে দূরীভূত করবে। প্রাথমিকভাবে যে গ্যাসটি তাঁরা তৈরি করেন, তার সাফল্য কতখানি তা পরীক্ষা করার ‘গিনিপিগ’ হিসেবে তাঁরা বেছে নেন ওই ৫ বন্দিকে।
ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

একটি প্রায় বায়ুরুদ্ধ ঘরের ভিতরে তাদের ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। বন্দিদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে যাতে বিজ্ঞানী বা রক্ষীদের আসতে না হয়, সেইজন্য ঘরের সঙ্গে বাইরের যোগাযোগের জন্য রেখে দেওয়া হয় মাইক্রোফোন। এছাড়া, জেলের ভিতরে নিয়মিত খাবার দেওয়া, ও টয়লেটের বন্দোবস্তও রাখা হয়। তারপর ধীরে ধীরে সেই ঘুমরোধী গ্যাস প্রবিষ্ট করানো শুরু হয় সেই ঘরের ভিতর।
বিজ্ঞানীদের পরিকল্পনা ছিল এক মাসের জন্য সেই মানুষগুলিকে বন্দি রেখে পরীক্ষাটি চালানোর। বন্দিদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তারা যদি তিরিশ দিন নিরুপদ্রবভাবে তাদের বন্দিদশা মেনে নেয়, তাহলে তিরিশ দিন পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। প্রথম দিন তিনেক সব ঠিকঠাক চলল। পাঁচ দিনের পর থেকে মাইক্রোফোনে শোনা গেল, বন্দিরা তাদের অতীত জীবনে কৃত নানা অপরাধের কথা নিজেদের মধ্যে আলোচনা শুরু করেছে। তারপর শুরু হল তাদের প্রলাপ বকা, এবং কোন কাজের জন্য আজ তাদের এই বন্দিদশা— সেই নিয়ে অনুশোচনা।
দিন দশেকের পর থেকে বন্দিদের আচার-আচরণে ক্রমশ উন্মাদনার লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। এক বন্দি একদিন একটানা তিন ঘন্টা তারস্বরে চিৎকার করে যায়। বিজ্ঞানী ও কারারক্ষীরা মাইক্রোফোনে শুনতে পান সেই চিৎকার। তারপর আস্তে আস্তে সব শান্ত হয়ে আসতে থাকে। ১৪ নম্বর দিনে বিজ্ঞানীরা কৌতূহলী হয়ে ইন্টারকমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন বন্দিদের সঙ্গে।
বন্দিদের মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, যদি তারা এই পরীক্ষায় সহযোগিতা করে তাহলে তিরিশ দিনের মাথায় মিলবে মুক্তি। বন্দিদের তরফ থেকে মাইক্রোফোনে উত্তর ভেসে আসে— ‘‘কে চায় মু্ক্তি?’’বন্দিদের এই অস্বাভাবিক আচরণে চিন্তিত বিজ্ঞানীরা পনেরো নম্বর দিনে গ্যাসের প্রয়োগ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু, কী আশ্চর্য, গ্যাস বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে বন্দিরা কাকুতি-মিনতি শুরু করে গ্যাস পুনরায় চালু করার জন্য! কারারক্ষীদের পাঠানো হয় বন্দিদের জেল থেকে বের করে আনার জন্য। জেলের দরজা খুলে চোখ কপালে ওঠে রক্ষীদের। তাঁরা দেখেন, জেলের ভিতর জীবন্ত রয়েছে মাত্র চারজন বন্দি।
আর এক বন্দির মৃতদেহ পড়ে রয়েছে মাটিতে। বন্দিদের জন্য দেওয়া খাবারও অভুক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কিন্তু মৃতদেহটির শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে কারা যেন খুবলে খেয়েছে মাংস। এমনকী জীবন্ত চার বন্দির দেহ থেকেও মাংস খুবলে খাওয়ার চিহ্ন। বুঝতে বাকি থাকে না যে, বন্দিরা স্বাভাবিক খাবার বাদ দিয়ে একে অন্যকে খাওয়া শুরু করেছে। এই দৃশ্য দেখে সন্ত্রস্ত রক্ষীরা বন্দিদের জেল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে হিংস্রভাবে তারা বাধা দেয়। রক্ষীদের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, রক্ষীরা শেষ পর্যন্ত গুলি চালাতে বাধ্য হন।


প্রতিষ্ঠান : বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন


পদ : বিভিন্ন পদ
বেতন : নিয়ম অনুযায়ী
আবেদনের শেষ তারিখ : ২ নভেম্বর, ২০১৭
বিস্তারিত দেখুন :


একসময় মানূষ যখন দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোনসেট গুলো কম দামে কিনত তখন সবাই বলত আরে এতো চায়না ফোন তাই কমে পাওয়া গেছে  


যুগ পালটেছে ..
কেও  চায়না বলেনা এখন আর এখন এমন ফোন গুলোকে বলা হয় ক্লোন। দেখতে হুবুহু  আসল ফোনের মত আসল নকল দুটি পাশাপাশি রাখলে হয়ত কোম্পানীর কর্মকর্তারাও  কনফিউশনে পড়ে যাবে কোনটি তাদের আসল ফোন
সবাই সবসময় তো আর শো রুম থেকে   মোবাইল কিনে না আপনার মোবাইলটি আসলেই কোম্পানীর কিনা অর্থাৎ  এটি ক্লোন  অথবা নকল নয়ত  এমন  চিন্তায় সবাই  থাকে 
 একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ২ মিনিটের মধ্যেই আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার হাতে থাকা ফোনটি আসল কোম্পানীর তৈরী কিনা

১ । প্রথমে মোবাইলের IMEI নাম্বার বের করুন 
      IMEI নাম্বার বের করতে  *#06#  চাপুন

। এবার এই লিংক এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট টিতে যান 

। আপনার IMEI নাম্বার টাইপ করুন 

। নিচের ক্যাপচা কোড ফিলাপ এর জন্য  বক্সে ক্লিক করুন 

। রাইট সাইন আসলে Check বাটনে ক্লিক করুন

মোবাইলটি আসল কোম্পানী অথরাইজড হলে ওই মোবাইল সম্পর্কে তথ্য চলে আসবে ক্লোন সেট গুলার কোন তথ্য সাইট দেখাতে পারে না 

এভাবেই আপনি যাচাই করে নিতে পারেন আপনার ফোনটি আসল নাকি ক্লোন 

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ বলে হয়তো প্রাণখুলে হাসতে পারছেন না। দাঁতের হলদে দাগও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিন্তার কারণ নেই। নিয়মিত যত্নে মুক্তা ঝরা হাসি হতে পারে আপনারও। জেনে নিন দাঁতের যত্ন নেবেন কীভাবে।



  • ১ চা চামচ হলুদ বাটার সঙ্গে সমপরিমাণ নারকেল তেল ও ৩ ফোঁটা মিন্ট অয়েল মেশান। দাঁত ব্রাশ করার জন্য প্রতিদিন ব্যবহার করুন এই মিশ্রণ। দাঁত সাদা করার পাশাপাশি এটি দাঁতের এনামেল ভালো রাখবে ও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করবে।
  • আধা গ্লাস পানির মধ্যে ৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মেশান। দাঁত ব্রাশ করার পর দ্রবণটি দিয়ে কুলকুচা করে নিন। দুই সপ্তাহ ব্যবহার করলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
  • একটি স্ট্রবেরি চামচ দিয়ে চটকে নিন। মোটা দানার চিনির সঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। টুথব্রাশে পেস্টের মতো স্ট্রবেরির মিশ্রণ লাগিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন কয়েক মিনিট। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাঁত হবে ঝকঝকে। দুই সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন এই মিশ্রণ।  
  • দাঁতে নারকেল তেল লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে নিন। এটি দাঁত মজবুত করবে ও দাঁত সাদা করবে। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করতে পারেন এটি।
  • চারকোল গুঁড়া পানির সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। দাঁতে এই পেস্ট লাগিয়ে রাখুন। ২ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ব্রাশ করে নিন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন এটি।
  • কলার খোসার ভেতরের অংশ দিয়ে দাঁত ঘষে নিন। কএয়ক মিনিট পর দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন চাইলে।
  • নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে লবণ মিশিয়ে দাঁত ব্রাশ করার পর মাউথওয়াশ হিসেবে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করতে পারেন এটি। মুখে কোনও ইনফেকশন থাকলে এই মাউথওয়াশ ব্যবহার করবেন না।   
  • তুলসি পাতা বেটে পেস্ট বানিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে পারেন। কিছুক্ষণ পর সাধারণ টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করে নিন দাঁত। এটি দাঁতের যত্নে অনন্য।  

রেকর্ডের ডালি সাজিয়ে বসেছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার প্রতিনিয়ত নিজেকে নিয়ে যাচ্ছে উঁচু থেকে আরও উঁচুতে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগেও যেমন দাঁড়িয়ে নতুন এক মাইলফলকের সামনে। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সাকিব অপেক্ষায় আছেন মাত্র পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে ২০০ উইকেটের সঙ্গে ৫,০০০ রান পূরণের। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ২০০ উইকেট তুলে নিয়েছেন সাকিব বেশ আগেই। এখন ৫ হাজারী ক্লাবের সদস্য হতে তার দরকার আর মাত্র ১৭ রান। 




তাতেই সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নিজের নামটি আরও উজ্জ্বল করতে পারবেন সাকিব। ওয়ানডেতে ৫,০০০ রান এবং ২০০ উইকেটের কীর্তি আছে শুধু চার অলরাউন্ডারের, তারা হলেন- সনাথ জয়াসুরিয়া, জ্যাক ক্যালিস, শহীদ আফ্রিদি ও আবদুল রাজ্জাক। শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক জয়সুরিয়া ১৩,৪৩০ রানের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৩২৩ উইকেট। দ্বিতীয় স্থানে দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি ক্যালিস। ১১,৫৭৯ রানের সঙ্গে ২৭৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন সাবেক প্রোটিয়া এই অলরাউন্ডার। এই ক্লাবে পাকিস্তানের খেলোয়াড় দুজন। আফ্রিদি ৮,০৬৪ রানের পাশাপাশি নিয়েছেন ৩৯৫ উইকেট, আর রাজ্জাকের ৫,০৮০ রানের সঙ্গে শিকার ২৬৯ উইকেট। তাদের সঙ্গে ২২৪ উইকেট ও ৪,৯৮৩ রান নিয়ে মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে সাকিব। এদিকে তামিম প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১১,০০০ রানের সামনে দাঁড়িয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সঙ্গে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৬৯ রান করতে পারলেই এই লক্ষ্যটা পূরণ হবে বাংলাদেশি ওপেনারের। মোস্তাফিজুর রহমানও দাঁড়িয়ে আরেকটি মাইলফলকের সামনে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৬ উইকেট পেলে পূরণ করবেন তিনি উইকেটের হাফসেঞ্চুরি। অন্যদিকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট পেলে সব সংস্করণ মিলিয়ে উইকেটের সেঞ্চুরি হবে মোস্তাফিজের।

প্রাকৃতিক ও স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের অধিকারী অভিনেত্রী আলেয়া ভাট। ভোগ ম্যাগাজিনকে তিনি জানিয়েছেন তার সৌন্দর্যের পেছনের কারণ সম্পর্কে। শুধু দামি প্রসাধনী ব্যবহার নয়, বরং স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাসের কারণেই সুন্দর ও ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হওয়া যায়- এমনটা মনে করেন আলিয়া। সঙ্গে চাই নিয়মিত ত্বকের যত্ন ও সঠিক জীবনযাপন পদ্ধতি।



কী ধরনের বিউটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন ত্বকের যত্নে? আলিয়া জানান, প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি করেন তিনি। এছাড়া ত্বকের ধরন অনুযায়ী ব্যবহার করেন ফেসওয়াশ। গার্নিয়ার পিউর অ্যাক্টিভ নিম ফেসওয়াশটি ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য তিনি।  

যতটা সম্ভব কম মেকআপ রাখেন ত্বকে। কারণ ত্বকেরও প্রয়োজন সঠিকভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার। অতিরিক্ত মেকাপের ভারে সেটা পারে না ত্বক। ফলে শুরু হয়ে যায় নানা ধরনের সমস্যা। আলিয়া প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক টুকরো বরফ ঘষে নেন ত্বকে। এটি ত্বকের ফোলা ভাব কমায়। এছাড়া মুলতানি মাটির তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন নিয়মিত।

খাদ্যাভ্যাস নিয়েও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন আলিয়া। দেড় ঘণ্টা পর পর স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সকালে ভারি নাস্তা ও রাতে হালকা খাবার খান তিনি। অ্যাসিডিটি হয় এমন খাবার এড়িয়ে চলেন বরাবরই। খাবার খাওয়ার পর পরই পানি পান করেন না একদম। ত্বকের সুস্থতায় ডায়েট চার্টে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার রাখার পরামর্শ দেন আলিয়া। কারণ ভিটামিন এ ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ যেমন পড়তে দেয় না, তেমনি উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত রাখে ত্বক। ভিটামিন এ ফাইবোব্ল্যাস্ট উৎপন্ন করতে সাহায্য করে যা ত্বককে সুন্দর রাখে। মিষ্টি আলু, গাজর এবং সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ। এছাড়া প্রতিদিন ভিটামিন সি ও ই জাতীয় খাবার খান। প্রতিদিন অন্তত একটি টক জাতীয় ফল খান তিনি। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি তো থাকেই ডায়েট চার্টে। বিউটি আইকন মানেন কাকে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জানালেন হেমা মালিনীকে তার মনে হয় সৌন্দর্যের রানী। তাকেই মানেন বিউটি আইকন।  

জাতীয়করণ করা কলেজশিক্ষকদের আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে নন-ক্যাডার ঘোষণা করা না হলে পরদিন থেকে আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ্ খন্দকার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন,‘আমরা গতকাল শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সমিতি এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’


এই শিক্ষক নেতা বলেন, ‘বিসিএস পাস করে তবেই ক্যাডার মর্যাদা পান বিসিএস শিক্ষকরা। কিন্তু বর্তমানে কলেজ জাতীয়করণ করলেই সেই কলেজের শিক্ষকরা ক্যাডার মর্যাদা পেয়ে যান। এতে ক্যাডারভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে শৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে। বিসিএস ক্যাডারদের মর্যাদাকে অবহেলা করা হচ্ছে। আমরা আর এটি মেনে নেব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সরকারকে বিভিন্নভাবে বলেছি, এর একটি সুরাহা করুন। কিন্তু তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। যে কারণে বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি মেনে নেওয়া না হলে ক্লাস বন্ধ রেখে বিসিএস শিক্ষকরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।’
অধ্যাপক সেলিম উল্লাহ্ খন্দকার বলেন, ‘আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বিসিএস শিক্ষা সমিতির নেতারা। এছাড়াও ২২ অক্টোবর ৬৪ জেলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং এর পরদিন ঢাকায় কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সভা আয়োজন করা হবে।’

যেকোন বিজ্ঞাপনে দর্শক টানার জন্য নারীদের মডেল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে অনেক যুগ আগে থেকেই। এই নিয়ে ঝামেলা কম হয়নি। নারীবাদী ও বৈষম্যবাদীরা একের পর এক আন্দোলন করে পরিস্থিতি পাল্টাতে পারেনি। কিন্তু একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা পুরো ব্যাপারটিকেই যেন উল্টে দিলো। এবার বিজ্ঞাপনে নারী নয়, নগ্ন হলো পুরুষ মডেল!
সুইস স্টুডিও নামে এক পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থার বিজ্ঞাপন এটি। মেয়েদের জন্য স্যুট তৈরি করে এই সংস্থা। তাদেরই এই অভিনব বিজ্ঞাপনে এখন ঝড় উঠেছে নেটদুনিয়ায়। এই বিজ্ঞাপনে স্যুট পরিহিতা নারীদের পিছনে নগ্ন করা হয়েছে পুরুষদেরকে। তাদের পরিচিতি অবশ্য ফাঁস করা হয়নি। তবে পরিকল্পিতভাবে পণ্য করে তোলা হয়েছে নগ্ন পুরুষ শরীরকেই।
এদিকে বিজ্ঞাপনের ভাষার মোড়ই যেন ঘুরিয়ে দিয়েছে এই সংস্থার বিজ্ঞাপন। যৌনতাকেই পণ্য করে তোলা হয়েছে, তবে এখানে বেছে নেওয়া হয়েছে পুরুষ শরীরকে। গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে কোনও পুরুষেরই মুখ দেখানো হয়নি। অর্থাৎ পরিচিতি এখানে জরুরি নয়। শুধু পণ্য করা হয়েছে তাদের নগ্ন শরীরকে। বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় তো বটেই, নেটদুনিয়াতেও এ নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস

আমাদের মাঝে প্রচলিত একটি সাধারণ বিশ্বাস হলো ঠাণ্ডা আবহাওয়া আমাদের খাদ্য উপাদানগুলোর জন্য নিরাপদ এবং আরো বেশি স্বাস্থ্যকর। কেননা নিচু তাপমাত্রা আমাদের খাদ্যকে নষ্ট করে দিতে পারে এমন সব অণুজীব এবং ব্যাকটেরিয়াকে দমণ করে। আর এই বিশ্বাসের কারণেই আমরা কাঁচা মাংসের মতো খাবার ফ্রিজে রাখি। কিন্তু একই নিয়ম অন্য সব খাবারের বেলায়ও প্রয়োগ করতে গিয়েই আমরা বিপত্তিটা বাধাই। বাস্তবে সব খাবারের বেলায়ই এই নিয়মটা প্রযোজ্য নয়। বেশ কিছু খাদ্য বা সবজি আছে যেগুলো ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় রাখলেই ভালো থাকে, আবার এমন কিছু খাদ্য আছে যেগুলো স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখতে হয়। এমন দশটি খাদ্য রয়েছে যেগুলো ফ্রিজে না রেখে বরং স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখলেই বেশি ভালো থাকবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী…..

১. টমেটো
কাঁচা টমেটো স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা উচিত। যাতে সেগুলো আরো সুস্বাদু এবং রসালো হয়। চরমভাবাপন্ন তাপমাত্রায় টমেটোর স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। পুরোপুরি পেকে গেলে এরপর আপনি টমেটো প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ফ্রিজ রাখতে পারবেন। তবে ফ্রিজ থেকে বের করার পর আধা ঘন্টা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে তারপর রান্না করুন।

২. পেঁয়াজ
খোসাযুক্ত পেঁয়াজের বেঁচে থাকার জন্য দরকার হয় আলো-বাতাসের। আপনি যদি ফ্রিজে খোসাসহ পেঁয়াজ সংরক্ষণ করেন তাহলে সেগুলো অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে পঁচে যেতে পারে। ফলে ফ্রিজে পেঁয়াজ রাখতে গেলে তা সবসময়ই খোসা ছাড়িয়েই রাখবেন। পেঁয়াজ আপনি খোলা জায়গাও রাখতে পারেন কিন্তু তা যেন অবশ্যই সূর্যের্ আলো থেকে দূরে হয়। এছাড়া ছিদ্রযুক্ত কাগজের ব্যাগেও আপনি পেঁয়াজ রাখতে পারেন।

৩. বাদাম এবং শুকনো ফল
আমাদের অনেকেই বাদাম এবং শুকনো ফল ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন এই আশায় যে এতে সেগুলোর স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হবে না বা পঁচে যাবে না। কিন্তু এতে বরং হিতে বিপরীত হয়। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় বরং তাদের স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হয়ে যায় এবং ফ্রিজে থাকা অন্যান্য গন্ধও তাদের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। এরচেয়ে বরং তাদেরকে বায়ুরোধী পাত্রে রেখে খোলা জায়গায় রাখুন।

৪. রসুন
আপনি যদি ফ্রিজে রসুন সংরক্ষণ করেন তাহলে তা থেকে গেঁজ বের হতে শুরু করবে এবং তা রাবারের মতো হয়ে যেতে থাকবে। সুতরাং শুকনো এবং শীতল স্থানে রসুন সংরক্ষণ করুন।

৫. পুদিনা পাতা
আপনি যদি পুদিনা পাতা ফ্রিজে রাখেন তাহলে সেগুলোর স্বাদ এবং গন্ধ নষ্ট হয়ে যাবে। ঠাণ্ডা তাপমাত্রা তাদের সতেজভাব দ্রুত নষ্ট করে এবং শুষ্ক করে তোলে। পুদিনা পাতা সংরক্ষণের সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো সেগুলোকে পানিভর্তি জারে রাখা এবং সেই জারের মুখ খুলে রাখা।

৬. আলু
আলু কখনো ফ্রিজে রাখার দরকার নেই। শুধু ছিদ্রযুক্ত রেখে সংরক্ষণ করুন। ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় রাখলে আলুতে থাকা শ্বেতসার সব সুগারে রুপান্তরিত হয়। ফলে রান্নার সময় আলুর রঙ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আলো থেকে দূরে এবং না ধুয়েই আলু সংরক্ষণ করুন। আর্দ্রতা আলুকে দ্রুত নষ্ট করে।

৭. মধু
মধু কখনোই ফ্রিজে সংরক্ষণ করার দরকার নেই। ফ্রিজের বাইরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ও মধু খুবই মসৃণ এবং তাজা থাকবে। তবে মধু যে পাত্রে রাখবেন তার মুখটি ভালো ভাবে আটকে রাখুন। প্রকৃতপক্ষে, মধু ফ্রিজে রাখলে তা জমে যেতে পারে।

৮. অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল বা যে কোনো ধরনের রান্নার তেল ফ্রিজে রাখবেন না। এতে সেগুলো জমে যেতে পারে এবং মাখনের মতো শক্ত রুপ ধারন করতে পারে। নারকেল তেলের বেলায়ও একথা সত্য। আপনার কিচেন ক্যাবিনেটের কোনো শীতল জায়গায় এগুলো সংরক্ষণ করুন কিন্তু তাপ থেকে অবশ্যই দূরে রাখবেন।

৯. তরমুজ
জার্নাল অফ অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজ বা খরমুজ ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় রাখলে এর পু্ষ্টি উপাদান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় তরমুজের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদানগুলো সব নষ্ট হয়ে যায়। ফলে খোলা জায়গায় ফলের র‌্যাকে সংরক্ষণ করলেই বেশি ভালো থাকবে।

১০. রুটি
আপনি হয়তো এতদিন ফ্রিজেই সংরক্ষণ করে আসছিলেন রুটি। কিন্তু সময় এসেছে পরিবর্তনের। ফ্রিজে রুটি রাখলে তা শক্ত এবং রাবারের মতো হয়ে যেতে পারে। আর তাছাড়া ঠাণ্ডা এবং আর্দ্র তাপমাত্রা রুটি আরো দ্রুত বাসি হয়ে পড়তে পারে।সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

যে কারনে পুরুষরা খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাবেন। কোন পুরুষ মিস করবেন না- কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে।
ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে।
উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে।
আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। জেনে নিন ছোলার কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা
১. ডাল হিসেবে: ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ।

২. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায় হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯% কমে যায়।
৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে: আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়।
যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে।
৪. রক্ত চলাচল: অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ।
৫. ক্যান্সার রোধে: কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন।
৬. রমজানে: রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম।
৭. কোলেস্টেরল: ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।
৮. কোষ্ঠকাঠিন্যে দূর করে: ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে।
৯. ডায়াবেটিসে উপকারী: ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম।
তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।
১০. যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে: যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে এর ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। শ্বাসনালিতে জমে থাকা পুরোনো কাশি বা কফ ভালো হওয়ার জন্য কাজ করে শুকনা ছোলা ভাজা। ছোলা বা বুটের শাকও শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী।
প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই ছোলায় ও ছোলার শাকে। ডায়াটারি ফাইবার খাবারে অবস্থিত পাতলা আঁশ, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই শুধু রমজান মাস নয়, ১২ মাসেই ছোলা হোক আপনার সঙ্গী।
১১. রক্তের চর্বি কমায়ঃ ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়।
১২. অস্থির ভাব দূর করেঃ ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়।
১৩. রোগ প্রতিরোধ করেঃ কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
১৪. জ্বালাপোড়া দূর করেঃ সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়।
১৫. মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করেঃ এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান।
তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

আমরা প্রায় প্রত্যেকদিন কিছু ফাইলস ডিলিট করে থাকি আমাদের পিসি বা ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন থেকে। যেসব ফাইলের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায়, সেসব ফাইল আমরা ডিলিট করে দেই স্টোরেজ বাঁচানোর জন্য।

কিন্তু ফাইল ডিলিট করার পরেই কি ফাইলের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায় ? আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন যে কয়েকদিন আগে আপনি যে মুভিটি হার্ড ড্রাইভ থেকে ডিলিট করলেন বা আপনার স্মার্টফোনে তোলা যে ছবিটি ভাল হয়নি বলে সাথে সাথে ডিলিট করে দিলেন, সেগুলো ডিলিট হওয়ার পরে কোথায় গেল ?
এই বিষয়টিকে বুঝতে হলে আমাদেরকে প্রথমে কম্পিউটারের বাইরে বেরিয়ে চিন্তা করতে হবে। বাস্তব জীবনে কি আমরা কোনকিছু ডিলিট করতে পারি ? চিন্তা করুন তো। ধরা যাক, আপনার কাছে একটি কাগজের একটি পৃষ্ঠা আছে। আপনি কি চেষ্টা করলেই এটাকে ডিলিট করতে পারবেন ? অনেকে বলতে পারেন যে কাগজটি আপনি ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলবেন বা অনেকে এটাও বলতে পারেন যে কাগজটি আপনি আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলবে। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, এটি কি সত্যিই ডিলিট হল ? সত্যিই কি এটার অস্তিত্ব মুছে গেল ?
আপনি যদি বলেন হ্যাঁ, তাহলে আপনি ভুল। আপনি শুধুমাত্র কাগজটির রূপ বা অবস্থার পরিবর্তন করেছেন। আগে এটি কাগজ ছিল কিন্তু পুড়িয়ে ফেলার পরে সেটি পরিবর্তিত হয়ে হল ছাই। ছিড়ে ফেললে কাগজের কোন ধরনের পরিবর্তনই হল না। শুধুমাত্র এটির অনেকগুলো টুকরোতে পরিবর্তিত হল। পানিতে ভেজালে সেটা ভেজা কাগজে পরিনত হল। কিন্তু আপনি কিছুতেই কাগজটি সম্পূর্ণভাবে উধাও করে দিতে বা ডিলিট করে দিতে পারবেন না। কম্পিউটারের ডিলিট করা ফাইলগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন না হলেও বাস্তব জীবনের সাথে কিছুটা মিল থেকেই যায় যদিও কম্পিউটারের ফাইল টেকনিক্যালি ডিলিট করা সম্ভব।
ডেক্সটপ বা ল্যাপটপে ফাইল ডিলিট করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয় যখন আপনি ফাইলটির কনটেক্স মেনু থেকে ডিলিট অপশনটি ক্লিক করে কনফার্ম করে ফাইলটিকে Recycle Bin ফোল্ডারে পাঠিয়ে দেন। তখনও ফইলটি আপনার ড্রাইভে একটি টেম্পোরারি ডিরেক্টরিতে থেকেই যায় এবং আপনার ড্রাইভের স্পেস দখল করে কিন্তু ফাইলটি উইন্ডোজ আপনাকে দেখায় না। কিন্তু তখনও ড্রাইভ প্রোপার্টিস চেক করলে আপনি দেখবেন যে আগে ড্রাইভে যতটুকু স্পেস খালি ছিল ঠিক ততটুকুই খালি আছে। অর্থাৎ ফাইলটি তখনো সেখানে আছে। এই অবস্থায় আপনি রিসাইকেল বিন থেকে ফাইলটি রিস্টোর করলেই আপনি আবার ফাইলটি দেখতে পারবেন এবং ব্যবহার করতে পারবেন।
কিন্তু কি হয় যখন আপনি রিসাইকেল বিন থেকেও ফাইলটি ডিলিট করে দেন যাতে সেটা আর রিস্টোর করা সম্ভব না হয় ? এসময় কিন্তু আপনাকে ড্রাইভের সেই স্পেসটুকু ফেরত দেওয়া হয় যেটুকু স্পেস ওই ফাইলটি দখল করেছিল। কিন্তু ফাইলটির কি হয় ? কোথায় যায় ফাইলটি ?
ফাইলটি যখন আপনি রিসাইকেল বিন থেকেও ডিলিট করে দেন, আপনার ড্রাইভে ওই ফাইলটি যতটুকু স্পেস দখল করে ছিল টা কিন্তু আক্ষরিক অর্থে খালি হয়ে যায়না। ওই স্পেসটুকু কে খালি হিসেবে মার্ক করা হয়। এই খালি হিসেবে মার্ক করার ফলে ওই স্পেসটুকু নতুন কোন ডেটা বা নতুন কোন ফাইল রাখার জন্য এভেইলেবল হয়ে যায়। ফাইলটি যেখানে ছিল সেই স্পেসটি খালি হয়ে যায় কিন্তু ফাইলটি কিন্তু এখনো কোথাও সরে যায়নি বা ফাইলটির অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়নি। শুধুমাত্র পয়েন্টারগুলো চলে গিয়েছে। পয়েন্টার হলআপনার কম্পিউটারের আরেক ধরনের ডেটা যেগুলো আপনার মেমরিতে থাকা ফাইলগুলোর ডিরেক্টোরি পয়েন্ট করে বা নির্দেশ করে।
ফাইলটি ডিলিট করলে কম্পিউটার শুধুমাত্র আপনার ফাইলের রেফারেন্সগুলো রিমুভ করে দেয়। ফাইলের রেফারেন্স রিমুভ করলে কম্পিউটার ফাইলটিকে আর রিড করতে পারেনা। বিষয়টিকে আরেকটু ভালভাবে বুঝতে হলে বলতে হবে, কোন অপারেটিং সিস্টেম থেকে  কোন ফাইল ডিলিট করা হচ্ছে অনেকটা কোন বই থেকে একটি চ্যাপ্টারেকে খালি হিসেবে মার্ক করার মাধ্যমে চ্যাপ্টারটি ডিলিট করা। কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমন। অর্থাৎ, কম্পিউটার যখন আপনার ডিরেক্টরি টি পড়ে, তখন ডিলিট করা ফাইলগুলোর জায়গাটি কম্পিউটার খালি হিসেবে ধরে নেয় যেহেতু সেই জায়গাগুলো খালি হিসেবেই মার্ক করা আছে।
এখন আপনি ভাবতে পারেন যে তাহলে ডিলিট করা ফাইলগুলো সহজেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব যেহেতু সেগুলো এখনো আছে। ঠিক তাই। সহজেই ঠিক নয়, কিন্তু কঠিনে হলেও ডিলিট করা ফাইল ফিরিয়ে আনা সম্ভব এটা আমরা সবাই জানি। স্পেশাল ডেটা রিকভারি টুলগুলো আপনার পারমিশনের সাহায্যে হার্ড ড্রাইভের ডিরেক্টরি থেকে সেই ধরনের স্পেসগুলোকে খুজে বের করে যেগুলো খালি বা Empty হিসেবে মার্ক করা আছে। এবং অনেকসময় এই টুলগুলো সেই স্পেস থেকে আপনার ডিলিট করা অধিকাংশ ফাইল খুজে বের করে ফিরিয়েও আনতে পারে যেহেতু ফাইলগুলোর স্পেসটি শুধুমাত্র খালি বা Empty হিসেবে মার্ক করা আছে কিন্তু ফাইলটি এখনো কোথাও যায়নি। আপনার ডিলিট করা ফাইলগুলো হার্ড ড্রাইভে ততক্ষন পর্যন্ত থাকবে যতক্ষন না সেই ফাইলটির স্পেসটিকে অন্য কোন নতুন ফাইলের জন্য রিজার্ভ করা হচ্ছে বা যে স্পেসে আপনার ফাইলটি ছিল ওই স্পেসটি নতুন কোন ডেটা বা ফাইল দ্বারা ওভাররাইট করা হচ্ছে।
এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে, শুধুমাত্র ওভাররাইট করলেই যদি ফাইলটি চলে যায়, তাহলে কেন কম্পিউটার সেটা প্রথম স্টেপেই করে ফেলে না ? কারন এটা করার থেকে শুধুমাত্র ফাইলের স্পেসটিকে খালি হিসেবে মার্ক করা বা ফাইলটির রেফারেন্স রিমুভ করে দেয়া অনেক বেশি সহজ।
অর্থাৎ একটি ফাইলকে যদি আপনি সম্পূর্ণভাবে ডিলিট করতে চান যাতে টা আর রিকভার করা সম্ভব না হয়, তাহলে আপনাকে ফাইলের জন্য রিজার্ভ করা যে স্পেসটি ছিল সেটাকে নতুন ডাটা দিয়ে সম্পূর্ণভাবে ওভাররাইট করতে হবে। লো লেভেল ফরম্যাট বা অন্যান্য ইউটিলিটি ব্যবহার করে এটা করা সম্ভব। এসব ইউটিলিটির সাহায্যে হয়ত আপনি ওই ডিলিট করা ফাইলগুলোর স্পেসকে অনেকগুলো ০ দ্বারা ওভাররাইট করবেন বা অন্যকিছু দ্বারা ওভাররাইট করবেন যাতে তা আর কখনোই রিকভার করা সম্ভব না হয় কিন্তু সেক্ষেত্রেও ১০০% নিশ্চয়তা নেই যে আপনার ফাইলটি ডিলিট হয়েছে। এখানে আরেকটি বিষয় চলে আসে যা হল " ব্যাড সেক্টর "। ব্যাড সেক্টর হচ্ছে আপনার কম্পিউটারের এমন কিছু ডিরেক্টরি যেগুলোতে আপনি কখনোই এক্সেস করতে পারবেন না। হতে পারে এসব ডিরেক্টরিতে কিছু চেঞ্জ করলে আপনার পিসি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাবে বা অন্য কোন ধরনের ক্ষতি হবে। যাই হোক, এর মানে হচ্ছে এসব ব্যাড সেক্টরে যেসব ফাইল থাকবে সেগুলো কখনোই ডিলিট হবেনা।
ধরা যাক, আপনি ইউএস মিলিটারি বা এমন ধরনের কোন শক্তিশালি গ্রুপের একজন কর্মকর্তা এবং আপনার পিসিতে এই গ্রুপের অনেক প্রয়োজনীয় গোপন ডেটা আছে যেগুলো অন্য কারোর জানার অধিকার নেই। এসব ডাটা যখন আপনার ডিলিট করার দরকার হবে তখন আপনি বা ইউএস মিলিটারি কি করবে ? শুধুমাত্র ডিলিট করে দেবে ? না। যেহেতু ফাইল সম্পূর্ণভাবে ডিলিট করা সম্ভব নয় তাই যাতে কেউ ডিলিট করা ফাইলের এক্সেস কখনো না পেতে পারে, তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে আপনার হার্ড ড্রাইভ বা পিসি বা মেমরি বা সিপিইউ সবকিছু ধ্বংস করে ফেলা যাতে কেউ কখনো ডিলিট করা ফাইল তো দুরের কথা, মেমরিটিই এক্সেস না করতে পারে।
ইউএস, আফ্রিকা, জাপান ইত্যাদি দেশগুলো অনেকসময়ই এই কাজটি করার জন্য তাদের ইলেকট্রনিক ওয়েস্টগুলো (এমন সব ডাটা যেগুলো তারা চায়না যে রিকভার করার ১% চান্সও থাকুক) ঘানার  Agbogbloshie নামক একটি জায়গায় পাঠায় সেগুলো আগুনে পুড়িয়ে ফেলার জন্য। ঘানার এই জায়গাটি World's Digital Dumping Ground নামে পরিচিত। এখানে এই সব মেমরি বা হার্ডড্রাইভগুলোকে পুড়িয়ে ফেলা হয় যাতে সেগুলো রিকভার করার ১% চান্সও অবশিষ্ট না থাকে। কিন্তু, আপনি জানলে অবাক হবেন যে এখান থেকেও ফাইলগুলোকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পৃথিবীর বিভিন্ন সাইবার অপরাধী বা অন্যান্য কিছু লোকজন দাবি করে থাকেন যে ঘানার এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড থেকে তারা অনেক ডাটা রিকভার করতে পেরেছে। এসব ডাটার মধ্যে তারা মিলিওন ডলারের এগ্রিমেন্ট, বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান ফর্মুলা এবং আরো অনেক কিছু পেয়েছে।
একবার ভেবে দেখুন তো, আপনার আজকের ডিলিট করা একটি ফাইল যদি এখন থেকে ১০০ বছর পরে কেউ খুজে পায় ? আপনার আজকের ডিলিট করা একটি ছবি যদি আরও ১০০০ বছর পরে ফিরিয়ে আনা হয় ? লিক হওয়ার ভয়ে আপনার পিসির আজকের ডিলিট করা ব্রাউজিং হিস্টোরি যদি ৫০ বছর পরে আপনার ছেলে-মেয়ে খুজে পায় ? If you know what I mean. 😉

বাংলাদেশের এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত বাংলা চলচ্চিত্রের নাম এখন ‘ঢাকা অ্যাটাক’। ছবিটির মূল ভাবনা ও কাহিনী রচনা করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি সানী সানোয়ার, আর পরিচালনা করেছেন দীপঙ্কর দীপন। পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা বাংলাদেশে এই প্রথম। সিনেমা বানানোর পুরো কাজটিকে সার্থক বানাতে কাজ করেছেন অংসখ্য কলাকুশলী। তার মধ্যে একজন নাজমী জান্নাত। 

ঢাকা অ্যাটাক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায়। আর তা হলো কস্টিউম ডিরেকশন। কোন চরিত্র কী রংয়ের কাপড় পরবে কিংবা তা এক রংয়ের না স্ট্রাইপ, আবার ব্যাকগ্রাউন্ডের সঙ্গে কাপড়ের রংয়ের সামঞ্জস্য আছে কিনা তা ঠিক করার কাজ কস্টিউম ডিরেক্টরের। অল্প বয়সে এই কঠিন কাজটি করেছেন বড় চ্যালেঞ্জ মনে করে। কিছুটা লেখাপড়া দার্জিলিং থেকে শেষ করে বাংলাদেশে এসে এ লেভেল করেছেন নাজমী। এরপর ক্রিয়েটিভ কিছু নিয়ে পড়ালেখার ইচ্ছা থাকায় বাবার পরামর্শে শান্ত মরিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাশন ডিজাইনিং এ ভর্তি হন। পুরো সেমিস্টার জুড়ে রেজাল্ট ভালো থাকায় শিক্ষকতা করার সুযোগও পেয়েছিলেন। কাজ করেছেন স্টাইলিস্ট হিসেবে বিভিন্ন জায়গায়, এর পাশাপাশি উপস্থাপনাও করেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে। বর্তমানে স্টাইলিং এর পাশাপাশি করছেন উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা আর নর্থ সাউথে পড়ছেন এমবিএ। বিভিন্ন ফ্যাশন শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা এই অল্প বয়সে অনেক হলেও কোন চলচ্চিত্রে কাজ করার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। নিজের কনফিডেন্স তাকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছে বলে মনে করেন নাজমী। বাংলা ট্রিবিউনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ‘ স্টাইলিং নিয়ে বাংলাদেশের সিনেমায় কেউ কাজ করেনা, ক্যারেক্টারকে ফুটিয়ে তোলার জন্য স্টাইলিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’। ঢাকা অ্যাটাকে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ‘ এই কাজে অনেক কিছু শেখার ছিল। দীপঙ্কর দা, সানী সানোয়ার ভাই আমাকে অনেক হেল্প করেছে। এর পাশাপাশি আমাকে সাহায্য করেছে আমার এসিস্ট্যান্ট কাজী আসিফুর রহমান। সবার চেষ্টায় সুন্দরভাবে করা সম্ভব হয়েছে। গল্পটা যেহেতু সানী ভাইয়ের লেখা তাই তার গাইড আমাকে অনেক সাহায্য করেছে’। ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে তার স্বপ্ন অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার। পাশাপাশি শিক্ষাকতা করেও নতুনদের কিছু শেখাতে চান নাজমী। এখন কাজ করছেন নিজের বিউটি ব্লগ নিয়ে, যেখানে সবার জন্য বিউটি টিপস, স্টাইলিং আইডিয়াও থাকবে। লক্ষ্য একটাই, সেরা কাজ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।


সহজে ব্যবহার করা যায় এমন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর হেডসেট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে অকুলাস গো। বৃহস্পতিবার এটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। প্রতিষ্ঠানটি এই প্রথম এমন ডিভাইস তৈরি করলো।


এছাড়া সান্তা ক্রুজ নামের একটি প্রোটোটাইপ (নমুনা সংস্করণ) হেডসেটও প্রদর্শন করেছে সংস্থাটি। এই ডিভাইস ইনসাইড-আউট ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কাজ করবে।

অকুলাস গো এবং সান্তা ক্রুজের মাধ্যমে মানুষ আরও সহজে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করতে পারবে বলে জানানো হয়। এই দুটি ডিভাইসকে আরও উন্নত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্মাতারা।

বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কম দামে ডিম বিক্রির আয়োজনটি প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে ভণ্ডুল হয়ে গেছে। মানুষের চাপ সামলাতে লাঠি চার্জ করেছে পুলিশ।অনেকে পুলিশের পিটুনি খেয়েছেন। কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। এজন্য অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন ক্রেতারা। ডিম কিনতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রেতা। 

রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ডিম কিনতে আসেন অনেকেই। রাজধানীর জিগাতলা থেকে এসেছেন মাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে এসেছিলাম। কিন্তু ডিম কিনতে পারিনি। বরং ভিড়ের মধ্যে পুলিশের পিটুনি খেয়েছি। আয়োজকরা কি মানুষজনকে পেটাতে এই আয়োজন করেছে? প্রশাসন তাদের কিছু না বলে পুলিশ দিয়ে মার খাওয়ালো কেন? ডিম তো পেলামই না, উল্টো মার খেলাম। ’ মহাখালী থেকে ডিম কিনতে এসেছিলেন নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘সকালেই এসেছিলাম। কিন্তু ডিম পাইনি। ভিড়ের মধ্যে মোবাইলটি হারিয়েছি। এমন ব্যর্থ আয়োজনের জন্য আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ এদিকে ডিম বিক্রি বন্ধ থাকলেও অনেকেই এখনও অপেক্ষা করছেন। মাহমুদ আলম বলেন, ‘এত কষ্ট করে এলাম, তাই অপেক্ষা করছি, যদি ডিম পাওয়া যায়।’ বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষেবাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসসি) সাধারণ মানুষের কাছে প্রতিটি ডিম তিন টাকায় বিক্রির ঘোষণা দেয়। এই ঘোষণার কারণে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকেই রাজধানীর খামাবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে হাজারো মানুষ ভিড় জমায়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে বিক্রি শুরু করলে অতিরিক্ত মানুষের চাপে ডিম বিক্রি বন্ধ করে দেন আয়োজকরা।তারা জানান, এক লাখ ডিম বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। মাত্র আধা ঘণ্টায় ৮০ হাজার ডিম বিক্রি হয়ে যায়। বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এর সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, ‘এটাকে ব্যর্থতা বলবো না, আমরা সফল।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যে রকম প্রস্তুতি নিয়েছিলাম তার চেয়েও অনেক বেশি মানুষের সাড়া পেয়েছি। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য বিক্রি করা যায়নি। এজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।’

Source : http://www.banglatribune.com/others/news/251715/‘পুলিশ-দিয়ে-মার-খাওয়ালো-কেন’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছে না লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার মেধাবী ছাত্রী তানিয়া তাহিদ।



সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খ’ ইউনিটে ৮০৮তম ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একই ইউনিটে ১৩১৮তম স্থান পেয়ে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তানিয়া উপজেলার পূর্ব সির্ন্দুনা গ্রামের তাহিদুল ইসলাম ও নুরুন্নাহার বেগমের মেয়ে। তিন বোনের মধ্যে তানিয়া দ্বিতীয়।
এর আগেও তানিয়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে হাতীবান্ধা সিন্দুর্না লোকমান হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে। ২০১৭ সালে রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে জিপিএ ৫ পেয়েছে।
তানিয়ার বাবা তাহিদুল ইসলাম তিস্তা নদীতে কয়েকবার বসতবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে সিন্দুর্ণা বাজারে রেডিও মেকানিক হিসেবে কাজ করছেন। এ অবস্থাতেও তিনি মেয়ের পড়াশুনা চালিয়ে গেছেন। বর্তমানে মেয়ের এমন সাফল্য জেনেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো মতো অবস্থা নেই তার।
তানিয়া জানায়, সবার সহযোগিতায় আমি এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ অর্জন করি। এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটে ৮০৮তম স্থান পেয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই। কিন্তু আমার বাবার পড়াশুনা করার মতো সামর্থ্য নেই। কেউ আমাকে সহযোগিতা করলে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার সুযোগ পেতাম। আমি বিসিএস পড়ে প্রশাসনে জব করতে চাই।

তাহিদুল ইসলাম বলেন, তিস্তা নদীতে কয়েকবার বাড়িঘর হারিয়ে আজ আমি নি:স্ব। অনেক কষ্টে আমার সংসার চলে। মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু পড়াশুনা করার মতো অর্থ আমার নেই। আমার মেয়ের অনেক ইচ্ছে সে বিসিএস পড়বে। তাই সমাজের বিত্তবানরা একটু সহযোগিতা করলে আমার মেয়ের স্বপ্ন পূরণ হতো।
হাতীবান্ধা সিন্দুর্না লোকমান হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিছুর রহমান বাবুল জাগো নিউজকে বলেন, মেয়েটি দারিদ্র হলেও মেধাবী। তার বাবা একজন সামান্য রেডিও মেকানিক। তার বাবার পক্ষে পড়াশুনা খরচ বহন করা কষ্টকর। তাই সবার সহযোগিতা পেলে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশুনা করতে পারবে।

Source : https://www.jagonews24.com/country/news/355789

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget